
উত্তরবঙ্গের আদিবাসী লেখকদের লেখা নিয়ে আপনকথা পত্রিকা আদিবাসী ভাষা- সাহিত্য ও সংস্কৃতি প্রাইমারি সোর্স হওয়ায় পত্রিকাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের পত্রিকার লক্ষ্য ও ভূমিকা নিম্নরূপ:
ভূমিকা:-
ভাষা ও সাহিত্য সংরক্ষণ: আদিবাসী ভাষা ও সাহিত্যকে সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে করে আদিবাসী ভাষাগুলো বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা পায়।
সংস্কৃতি প্রচার ও প্রসার: আদিবাসী সংস্কৃতি, আচার-অনুষ্ঠান, ও সামাজিক প্রথা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও প্রচারের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সবার সামনে তুলে ধরা।
গবেষণা ও বিশ্লেষণ: আদিবাসী সমাজের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে লেখেন তারাই যা শিক্ষাবিদ, গবেষক, ও সাধারণ পাঠকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করে।
আদিবাসী লেখকদের উৎসাহিত করা: আদিবাসী লেখকদের তাদের কাজ প্রকাশের সুযোগ দেওয়া এবং নতুন লেখকদের উৎসাহিত করা, যা তাদের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ভাবনাগুলোকে সবার সামনে তুলে ধরতে সাহায্য করে।
শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি: সাধারণ জনগণের মধ্যে আদিবাসী ভাষা, সাহিত্য, ও সংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই বিষয়গুলোর গুরুত্ব তুলে ধরা।
লক্ষ্য:-
ভাষার সংরক্ষণ ও বিকাশ: আদিবাসী ভাষাগুলোর সংরক্ষণ ও বিকাশে অবদান রাখা।
সাহিত্য প্রচার: আদিবাসী লেখকদের সাহিত্যিক কাজগুলো সবার সামনে তুলে ধরা।
সংস্কৃতির সংরক্ষণ: আদিবাসী সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ।
গবেষণা উদ্যোগ: গবেষকদের আদিবাসী ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করতে উৎসাহিত করা এবং তাদের গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা।
সমাজের সচেতনতা বৃদ্ধি: সাধারণ জনগণ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আদিবাসী সংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি।
উত্তরবঙ্গের আদিবাসী লেখকদের লেখা নিয়ে সম্পাদিত এই পত্রিকা তাদের ভাষা, সাহিত্য, ও সংস্কৃতির ধারা ও বৈচিত্র্যকে সবার সামনে তুলে ধরতে এবং আদিবাসী সমাজের ভাষা, সাহিত্য, ও সংস্কৃতিকে সংরক্ষণ ও বিকাশে অনন্য ভূমিকা পালন করে।
ভূমিকা:-
ভাষা ও সাহিত্য সংরক্ষণ: আদিবাসী ভাষা ও সাহিত্যকে সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে করে আদিবাসী ভাষাগুলো বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা পায়।
সংস্কৃতি প্রচার ও প্রসার: আদিবাসী সংস্কৃতি, আচার-অনুষ্ঠান, ও সামাজিক প্রথা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও প্রচারের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সবার সামনে তুলে ধরা।
গবেষণা ও বিশ্লেষণ: আদিবাসী সমাজের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে লেখেন তারাই যা শিক্ষাবিদ, গবেষক, ও সাধারণ পাঠকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করে।
আদিবাসী লেখকদের উৎসাহিত করা: আদিবাসী লেখকদের তাদের কাজ প্রকাশের সুযোগ দেওয়া এবং নতুন লেখকদের উৎসাহিত করা, যা তাদের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ভাবনাগুলোকে সবার সামনে তুলে ধরতে সাহায্য করে।
শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি: সাধারণ জনগণের মধ্যে আদিবাসী ভাষা, সাহিত্য, ও সংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই বিষয়গুলোর গুরুত্ব তুলে ধরা।
লক্ষ্য:-
ভাষার সংরক্ষণ ও বিকাশ: আদিবাসী ভাষাগুলোর সংরক্ষণ ও বিকাশে অবদান রাখা।
সাহিত্য প্রচার: আদিবাসী লেখকদের সাহিত্যিক কাজগুলো সবার সামনে তুলে ধরা।
সংস্কৃতির সংরক্ষণ: আদিবাসী সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ।
গবেষণা উদ্যোগ: গবেষকদের আদিবাসী ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করতে উৎসাহিত করা এবং তাদের গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা।
সমাজের সচেতনতা বৃদ্ধি: সাধারণ জনগণ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আদিবাসী সংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি।
উত্তরবঙ্গের আদিবাসী লেখকদের লেখা নিয়ে সম্পাদিত এই পত্রিকা তাদের ভাষা, সাহিত্য, ও সংস্কৃতির ধারা ও বৈচিত্র্যকে সবার সামনে তুলে ধরতে এবং আদিবাসী সমাজের ভাষা, সাহিত্য, ও সংস্কৃতিকে সংরক্ষণ ও বিকাশে অনন্য ভূমিকা পালন করে।